রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লোকে-লোকারণ্য সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের রাষ্ট্রের যত বড় কর্তাই হউক তাদেরকে জনগনের কাছে জবাবদিহিতা করতেই হবে : সালাহউদ্দিন আহমেদ চকরিয়ায় হাতির আক্রমণে নারীর মৃত্যু টেকনাফে অপহৃত উদ্ধার : অস্ত্র সহ চক্রের ৩ সদস্য আটক প্রাথমিক শিক্ষাকে উন্নত করা গেলে সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা টেকনাফের ‘ডাকাত খায়ের’ সহযোগী নারী সহ গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ‘জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান’ এক শহীদ ও আহত ৪৭ জনকে সহায়তা প্রদান সেন্টমার্টিন থেকে সাগরে ফিরেছে ১৮৩টি কচ্ছপের বাচ্চা লুট করেই ৬ ট্রলার সহ ৫৬ জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে ‘মিয়ানমারের নৌবাহিনী’ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোহিঙ্গা কমিউনিটি নেতা নিহত

সাগরে নিখোঁজ ২৪ রোহিঙ্গার সন্ধানে মালয়েশিয়ার অভিযান শুরু

বাংলা ট্রিবিউন : মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গাদের বড় অংশটি বাংলাদেশে আশ্রয় নিলেও কারও কারও প্রচেষ্টা থাকে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেওয়ার। উন্নত জীবনের আশায় অবৈধভাবে সাগরপথে ঝুঁকি নিয়ে এসব দেশে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে তারা।

মালয়েশিয়ার কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি নৌকা শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় লংকাবির পশ্চিম উপকূলে এসে পৌঁছায়। তখন ২৫ জন রোহিঙ্গা নৌকা থেকে নেমে সাঁতরিয়ে তীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত শুধু একজন রোহিঙ্গা তীরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।

মালয়েশিয়ান মেরিটাইম এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি (এমএমইএ)-এর প্রাদেশিক পরিচালক মোহাম্মদ জাওয়াবি আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, ১০০ বর্গ নটিক্যাল মাইল জায়গাজুড়ে অনুসন্ধান অভিযান চালানো হবে। তিনি বলেন, ‘অন্য উদ্ধারকারী সংস্থা ও স্থানীয় মংসজীবী সম্প্রদায়গুলোকে এ ব্যাপারে জানিয়েছে দিয়েছি। এ উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য থাই কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও সহায়তা চাওয়া হবে।

এরইমধ্যে তীরে পৌঁছাতে পারা সে রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। নৌকাটির কিছু হয়েছিল কিনা সে ব্যাপারে এখনও জানা যায়নি।

এর আগে গত মাসে লংকাবি পৌঁছানোর পর পরই ২৬৯ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছিল।

২০১২ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার পর লাখো রোহিঙ্গাকে সাগরপথে বিভিন্ন দেশের উদ্দেশে পালাতে দেখা গেছে। অনেকে আবার তখন মানব পাচারকারীদের কবলেও পড়েছিলেন। ২০১৫ সালে সাগরপথে দলবদ্ধভাবে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমানোর প্রবণতা বেড়ে যায়। সে সময় আন্দামান সাগর হয়ে ২৫ হাজার রোহিঙ্গা থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিল। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭ লাখ মানুষ। 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

.coxsbazartimes.com

Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themesbcox1716222888